ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় (সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম) ‘বুলবুল’

0
110

মোঃ নূর ইসলাম খান অসি।। বিগত ৫ নভেম্বর,২০১৯ মঙ্গলবার উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুপষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে  পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছিলো। আজ ৮ নভেম্বর,২০১৯ শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যেটি দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে ।

গভীর নিম্নচাপ থেকে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় (সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম)-এ  পরিণত হয়েছে ‘বুলবুল’ এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও শক্তি সঞ্চয় করে প্রবল আকার ধারণ করে বাংলাদেশের উপকূলের আরও এগিয়ে আসছে। মাঝেমধ্যেই গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে বুলবুলের। তবে আবহাওয়াবিদদের অনুমান, সুন্দরবনের উপর দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় বয়ে যাবে। ভারতের সাগরদ্বীপ এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া এ দু’টোর মধ্যে কোনও একটি জায়গায় স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বুলবুলের। তবে অভিমুখ এখনও পর্যন্ত খেপুপাড়ার দিকেই ঝুঁকে রয়েছে বলে আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মত। বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী সাইক্লোনটি বাংলাদেশের খুলনা-বরিশাল অঞ্চলে আঘাত করার সম্ভাবনা রয়েছে ।

এটি আরও তীব্র হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকের দিকে অগ্রসর হতে পারে। তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র কারণে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রভাবিত হতে পারে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বৃষ্টি হতে পারে, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে চলাচল না করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বিবিসিকে জানান, ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান গতি এবং দিক যদি বজায় থাকে তাহলে রবিবার রাত এবং সোমবার সকালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। তবে গতি বৃদ্ধি পেলে এর আগেও ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি কখনো বেশি গতি পাচ্ছে, আবার কখনো থেমে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে যেসব সাইক্লোনেন সৃষ্টি হয়, উপকূলে আঘাত করার আগে সাধারণত সেগুলোর শক্তি বৃদ্ধি পায়। আবার কখনো-কখনো দুর্বল হওয়ার নজিরও দেখা গেছে ।

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পুর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারণে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে এবং দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ ৩.১.৯ অনুসরণে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে আজ ০৮-১১-২০১৯ তারিখ বিকেল ০৩.০০ টায় জনাব মোঃ শাহ্ কামাল, সিনিয়র সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে (ভবন নং ৪, কক্ষ নং- ১০৪, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা) ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) বাস্তবায়ন বোর্ডের এক জরুরী সভা আহবান করা হয়। এ সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান,এমপি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি  জনাব এবি তাজুল ইসলাম,এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সভাকে অবহিত করেন যে, ঘূর্ণিঝড় “বুলবুল” এটি আরও ঘণীভুত হয়ে  উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ার এর চেয়ে ৫-৭ ফিট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুন্দরবনের হিরন পয়েন্ট এলাকায় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের কারণে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১৫ – ১৬ ফিট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি পর্যালোচনা করে আজ সন্ধ্যা নাগাদ বিপদ সংকেত (৫ – ৭) প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে।  ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিঃমিঃ থেকে ১২০ কিঃমিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা আগামীকাল ৯-১১-২০১৯ তারিখ সন্ধ্যা অথবা মধ্যরাতে সুন্দরবনের উত্তর – উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করতে পারে। ৬ ঘন্টা পর পর আবহাওয়া অফিস থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে। 

ঘূর্ণিঝড় প্রস্ত্ততি কর্মসূচির পরিচালক (প্রশাসন) সভাকে অবহিত করেন যে, গত ০৫-১১-২০১৯ তারিখে বঙ্গোপসাগরে লঘু চাপ এবং ০৮-১১-২০১৯ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সৃস্টি হওয়ায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার সাথে সাথে কর্মসূচির আওতাধীন  উপকূলীয় অঞ্চলের ১৩ টি জেলায় ৭ টি জোনের ৪১ টি উপজেলার ৩৫৫ টি ইউনিয়নের ৩,৭০১ টি ইউনিটে সর্বমোট ৫৫,৫১৫ জন স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্ক বার্তা প্রচার শুরু করে যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। 

মহাপরিচালক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সভাকে অবহিত করেন যে, ঘূর্ণিঝড়জনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা/ উপজেলার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং দুর্যোগকালীন যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে ঘূর্ণিঝড়ে ঝুকিপূর্ণ  ৭ টি জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর ৫ লক্ষ টাকা হারে বরাদ্দ প্রদান এবং ২০০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সভাকে অবহিত করেন যে, ঘূর্ণিঝড়জনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় বিডিআরসিএস  এর উপকূলীয় জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইঊনিটকে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে সমন্বয় করে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ একটি নদীবিধৌত নীঁচু সমতলভূমি এবং অগভীর উপকূল বিশিষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ একটি জনবহুল দেশ। প্রায় ৭১০ কিঃ মিঃ উপকূল রেখা বিশিষ্ট বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ক্রান্তীয় নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড় এর লীলাভূমি। প্রতি বছর এপ্রিল-মে মাসে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে এই অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় এবং কোনো কোনো বছর বৃহদাকারে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সংঘটিত হয়ে থাকে। নিয়মিত এই প্রাকৃতিক দুর্যোগেটি শুধুমাত্র উপকূলীয় অধিবাসীদের জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত করে না, সেই সাথে সমগ্র দেশের অর্থনীতির উপরেও  এক বিরাট নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। বিগত দুই দশকে বাংলাদেশে সংঘটিত প্রায় ৭০টির বেশী প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সমগ্র দেশের অর্থনীতিতে এক বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল।

 

বাংলাদেশে সংঘটিত কতিপয় উল্লেখযোগ্য ঘূর্ণিঝড়:

বছর মাস বিপর্যস্ত অঞ্চল বাতাসের গতিবেগ জনসংখ্যা মৃত্যূর পরিমান সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি
১৯৭০ নভেম্বর বরিশাল,ভোলা, নোয়াখালী ২০৫ কিঃমিঃ ১০,০০,০০০ ৮৫.৪ মিলিয়ন ডলার
১৯৮৫ ২৫ মে চট্টগ্রাম উপকূল ও উড়িরচর ৯ নং মহাবিপদ সংকেত ১১,০০০
১৯৯১ এপ্রিল ভোলা,নোয়াখালী,চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার ২৫০ কিঃমিঃ ১,৩৯,০০০ ১.৫ বিলিয়ন ডলার
১৯৯৪ ২ মে কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম ২০৫ কিঃমিঃ ১৬০
২০০৭ সিডর নভেম্বর ভোলা,বরগুনা,বরিশাল ২৬০ কিঃমিঃ ৩,৪০৬ ১.৭ বিলিয়ন ডলার
২০০৯ আইলা মে খুলনা,বাগেরহাট,সাতক্ষীরা জোন ১২০ কিঃিমঃ ১১৩ ৫৫২ মিলিয়ন ডলার
২০১৩ মহাসেন ১৬-১৭ মে বরগুনা,পটুয়াখালী ও ভোলা,  ৮৫ কিঃমিঃ ১৭ ৫.১৪ মিলিয়ন ডলার
২০১৫ কোমেন ২৯ জুলাই নোয়াখালী,চট্টগ্রাম ৭৫ কিঃমিঃ ০৩
২০১৬ রোয়ানো ২১ মে নোয়াখালী,চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ১০০ কিঃমিঃ ২৬ ৮০,০০০ ঘর বিধস্ত
২০১৭ মোরা ৩০ মে নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম ১২০ কিঃমিঃ ০৬
২০১৯ ফণী ৪ মে খুলনা,বাগেরহাট,সাতক্ষীরা ১২০ কিঃমিঃ ০৪

 

বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিশেষতঃ উপকূলীয় অঞ্চলের জনগণের মাঝে ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা প্রচার,উদ্ধার ও অনুসন্ধান প্রাথমিক চিকিৎসা, আশ্রয়দানসহ স্থানীয়ভাবে মোকাবিলা প্রস্তুতি,ত্রাণ ও পূনর্বাসন কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্যোগে জান-মালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার জন্য ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় কাজ করছে।

ভৌগলিক অবস্থান, জনসংখ্যার আধিখ্য,অসচেনতা,অসাবধানতা প্রভৃতি কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্ররণ দেশ। এই দুর্যোগের কারণে প্রতি বৎসর বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক জীবন,সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। মানুষের পক্ষে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পূর্ণরুপে প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। দুর্যোগের পূর্বে ব্যাপক প্রস্তুতি জনসচেতনতা সৃষ্টি, দুর্যোগ চলাকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে তদনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে দুর্যোগে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা  সম্ভব। 

দক্ষ জনবল ও স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দুর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতির কারণে জীবন-সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এবং সামাজিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর “সোনার বাংলা” এবং দেশরত্ন মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মানে বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। 

লেখক: মোঃ নূর ইসলাম খান অসি । নাট্যকার, প্রবন্ধকার, গীতিকার ও সংগঠক । পরিচালক (অপারশেন) – ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ  সরকার । 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here