পালিয়ে রক্ষা পেল কিশোরী

0
1

পালিয়ে রক্ষা পেল কিশোরী

বাসার মালিক তাদের গতিবিধি দেখে পাচারকারী হিসাবে সন্দেহ করে। তাকে বিক্রি করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে জানায়…

বাংলাদেশ

শেরপুর প্রতিনিধি

2021-04-08

মানব পাচারকারীদের হাত থেকে পালিয়ে এসে রক্ষা পেয়েছে শেরপুরের এক অসহায় কিশোরী। এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিকালে রঞ্জু মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠায় পুলিশ।

ভুক্তভোগী ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরী জেলার শ্রীবরদী উপজেলার বাসিন্দা। গ্রেপ্তার রঞ্জু একই উপজেলার চিংগুতার গ্রামের দুদা মিয়ার ছেলে।

কিশোরীর স্বজনরা জানায়, গত ২৭ মার্চ রাতে আসমাকে (ছদ্মনাম) চাকরি দেয়ার প্রলোভনে  নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী মুদি দোকানের মালিক মুছা মিয়ার ছেলে স্বাধীন (২৫) ও কামারদহ গ্রামের সামছুল হকের ছেলে মোরাদুজ্জামান ফুডা (৪৫)। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ঘটনার ৬ দিন পর আসমা হঠাৎ বাড়ি ফিরে আসে।

সে জানায়, স্বাধীন ও ফুডা তাকে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসা থেকে নিয়ে যায়। পরে ময়মনসিংহ শহরের এক বাসায় তাকে রেখে দেয়। সেখানে থাকার ৬ দিন পর ওই বাসার মালিক তাদের (স্বাধীন ও ফুডা) গতিবিধি দেখে পাচারকারী হিসাবে সন্দেহ করে। বিক্রি করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে আসমাকে জানায়।

পরে ওই কিশোরী বাসা থেকে পালিয়ে নিজ গ্রামে ফিরে এলে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ নিয়ে গ্রাম্য শালিসের আয়োজন হলে পুরো এলাকায় ঘটনাটি ছড়ে পড়ে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ওই কিশোরীকে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের অন্যতম সদস্য রঞ্জু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। চক্রের মূল হোতা স্বাধীন ও ফুডা পলাতক রয়েছেন।

কিশোরীর মা বলেন, আমরা গরিব মানুষ। কোনোমতে সংসার চালাই। ওদের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো সাহস আমগোর নাই।

এ ঘটনায় মানব পাচার আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি মোখলেছুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার একজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর বাকি দুজনকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলমান আছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

© Bangladesh Journal

(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);

(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);

_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে